স্টাফ রিপোর্টার : টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার ভারড়া ভূমি অফিসের উপ সহকারী কর্মকর্তা সোলাইমান ও অফিস সহায়ক আব্দুর রাজ্জাক, এই দুজনের সমন্বয়ে ঘুশ বাণিজ্য চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সরজমিনে গিয়ে এলাকা সূত্রে জানা যায়, খাজনা-খারিজ ও দাখিলার নাম করে চলছে, টাকা নেওয়া নানা কৌশল । এছাড়াও ভূমি কর্মকর্তা নায়েব সোলাইমান তার অফিসে, ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে কম্পিউটার অপারেটর তার নিজের আপন ভাতিজা ” মো: আকাশ “নামক ছেলেটা কাজ করার জন্য নিয়োগ দিয়ে, ইচ্ছামত অফিস চালাচ্ছে বলে জানা যায়।
সূত্রে জানায়- প্রত্যেকটা মিউটেশন/খাজনা-খারিজের দাখিলার কথা বলে নানা কৌশলে গ্রাহকদের কাঁছ থেকে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা বিভিন্ন খরচের কথা বলে নিয়ে থাকেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছু ব্যক্তি জানান- চাচা ভাতিজা মিলে অফিসটা খিলে,দেখার যেন কেউ নেই ? একই তবিয়তে দীর্ঘ পাঁচ বছর কর্মস্থল হওয়া, সরকারি বিধি বিধান তোয়াক্কা করেন না। এক অসহায় ব্যক্তির আহাজারি আমরা গরিব মানুষ টাকা-পয়সা কোথায় পাবো , মাসের পর মাস খাজনা পরিশোধ করলেও বিভিন্ন সময় কম্পিউটারে বাকি দেখায়। এছাড়াও রয়েছে অফিসের বারান্দার পূর্ব পাশে রুমে কাঁচামালের ব্যবসায়ীদের কলার গোডাউন , প্রতিবেশী লোকজনরা বলেন, অফিস ভাড়া দিয়েছে।
উল্লেখ্য, নায়েব সাহেবের ভাতিজা আকাশ এফ জেড মোটরবাইক , নিয়ে নিয়মিত অফিস করেন, এতেই প্রমাণ হয় ঘুষবাণিজ্যের কতটা দৌরাত্ব, অফিস সহায়ক আব্দুর রাজ্জাকের রয়েছে অডেল সম্পত্তি শহরে বাসা এমটিও কথা শোনা যাচ্ছে লোকের মুখে।
আমাদের প্রতিনিধির অনুসন্ধান করতে গিয়ে দেখা যায় আব্দুর রাজ্জাক ভূমি অফিসের পিছনের দরজা দিয়ে বের হয়ে মোবাইল ফোনে এক ব্যক্তির সাথে কথা বলে, শোনা যায় একদল সাংবাদিক এসেছে।
আপনি একটু কথা বলেন ! পরে জানতে পারি তার নামধারী পরিচয় আত্মীয় সাংবাদিক দিয়ে চেষ্টা করে এবং প্রতিবেদন না করার জন্য আব্দুর রাজ্জাক অনুরোধ করেন। এভাবে যদি প্রতিনিয়ত অফিস চলে ভূমি অফিসের সেবা নিয়ে না না প্রশ্ন উঠবে।এই কারণে সরকারের উন্নয়ন ব্যাহত হবে, সরকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হবে।








