সখীপুর প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইলের সখীপুর-সাগরদিঘী আঞ্চলিক মহাসড়কের মাত্র ৫০০ মিটার আরসিসি ঢালাই কাজের জন্যে প্রায় দুইমাস ধরে সড়কটি বন্ধ রাখা হয়েছে। এসময় বিকল্প সড়কে বড় যানবাহন চলাচলের কারণে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক বিধ্বস্ত হয়ে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। ফলে স্থানীয়দের ওইসব সড়কে চলাচলে প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
এলজিইডি কার্যালয় সূত্র জানায়, সখীপুর-গারোবাজার পর্যন্ত ৩০ কিলোমিটার আঞ্চলিক মহাসড়কের সখীপুর মুখতার ফোয়ারা থেকে খাদ্যগুদাম পর্যন্ত ৫০০মিটার সড়কে আরসিসি ঢালাইয়ের কাজ হচ্ছে। ফলে মুখতার ফোয়ারা থেকে বাটাজোর সড়ক, জেলখানা মোড় থেকে সৌখিন মোড় সড়ক, উপজেলা গেট থেকে প্রফেসর কলোনী সড়ক, বাগানচালা-কাহারতা-মহিলা কলেজ সড়ক এবং ক্যাপ্টেন মোড় থেকে সরকারি মুজিব কলেজ গেট সড়ক দিয়ে নিয়মিত ভারী যানবাহন চলাচল করছে। চলতি বর্ষায় ওই সড়কগুলো বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছে।
ঠিকাদার শফিকুল ইসলাম তরফদার বলেন, যতদ্রুত সম্ভব কাজ শেষ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে কাজ শেষ করার কমপক্ষে ২১ দিন পর্যন্ত ওই ঢালাইয়ের ওপর দিয়ে যানবাহন চলাচল করা যাবে না।
উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জুলফিকার হায়দার বলেন, সখীপুর-গারোবাজার সড়কটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ওই সড়কের উন্নয়ন কাজ করার আগে এলজিইডি বিভাগের পূর্ব পরিকল্পনা না থাকায় পাঁচটি সড়কের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এজন্যে এলজিইডি বিভাগের অজ্ঞতা ও অবহেলাকেই দায়ী করেন তিনি।
সখীপুর উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলীর অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা বাসাইল উপজেলা প্রকৌশলী রোজদীদ আহমেদ বলেন, আমি সপ্তাহে দুইদিন সখীপুরে অফিস করি। শীগ্রই সখীপুর গিয়ে বিধ্বস্ত সড়কগুলো পরিদর্শন করে সংস্কার করার জন্য জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এছাড়াও ওই ৫০০মিটার সড়কের কাজ যেন দ্রুত গতিতে হয় এজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
টাঙ্গাইলে অবৈধ ডিজেল তৈরির কারখানা : বর্জ্যে পরিবেশ হুমকির মূখে
আলোকিত বাংলা ডেস্ক : টাঙ্গাইলে ভেজাল ডিজেল তৈরি ও তা অবৈধভাবে বাজারজাত করণের অভিযোগ। সরেজমিনে গিয়ে দেখা-মিলে-ডিজেল তৈরির বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটি সাইনবোর্ড বিহীন বিএসটিআই ও পরিবেশ অধিদফতরের কোনও অনুমোদন...








