বৃহস্পতিবার, মে ৭, ২০২৬
আলোকিত বাংলা বিডি
No Result
View All Result
  • Login
ই-পেপার
  • হোম
  • সর্বশেষ
  • বিশেষ সংবাদ
  • টাঙ্গাইল জেলা
    • কালিহাতী
    • গোপালপুর
    • ঘাটাইল
    • টাঙ্গাইল সদর
    • দেলদুয়ার
    • ধনবাড়ী
    • নাগরপুর
    • বাসাইল
    • ভূঞাপুর
    • মধুপুর
    • মির্জাপুর
    • সখিপুর
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
  • অপরাধ
  • আইন
  • কৃষি
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • দুর্নীতি
  • দূর্ঘটনা
  • অন্যান্য
    • বাণিজ্য
    • বিনোদন
    • বিশ্ব
    • রাজনীতি
    • স্বাস্থ্য
    • ভিডিও
আলোকিত বাংলা বিডি
  • হোম
  • সর্বশেষ
  • বিশেষ সংবাদ
  • টাঙ্গাইল জেলা
    • কালিহাতী
    • গোপালপুর
    • ঘাটাইল
    • টাঙ্গাইল সদর
    • দেলদুয়ার
    • ধনবাড়ী
    • নাগরপুর
    • বাসাইল
    • ভূঞাপুর
    • মধুপুর
    • মির্জাপুর
    • সখিপুর
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
  • অপরাধ
  • আইন
  • কৃষি
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • দুর্নীতি
  • দূর্ঘটনা
  • অন্যান্য
    • বাণিজ্য
    • বিনোদন
    • বিশ্ব
    • রাজনীতি
    • স্বাস্থ্য
    • ভিডিও
No Result
View All Result
আলোকিত বাংলা বিডি
No Result
View All Result
Home Uncategorized

আহমদ ছফা: লাখো বঞ্চিতের কণ্ঠস্বর

by নিজস্ব প্রতিবেদক
জুন ৩০, ২০১৯
in Uncategorized
A A

“একটা মানুষের মধ্যেই গোঁজামিল থাকে। কিন্তু যে সাপ সে হান্ড্রেড পারসেন্ট সাপ। যে শেয়াল সে হান্ড্রেড পার্সেন্ট শেয়াল। মানুষ সাপও হইতে পারে, শেয়ালও হইতে পারে, পাখিও হইতে পারে। মানুষেরই বিভিন্ন চরিত্র নেয়ার ক্ষমতা আছে। বুঝছো, গ্রাম দেশে আগে সাপ আর শেয়াল পাওয়া যাইতো। এগুলা নাই এখন। কারণ সাপ, শেয়াল এরা মানুষ হিসাবে জন্মাইতে আরম্ভ করছে”

নাসির আলী মামুনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ঠিক এই কথাগুলোই বলেন আহমদ ছফা। সাবলীল ভাষায় লেখা এই সাক্ষাৎকারটি ছাপা হয় ‘আহমদ ছফার সময়’ বইটিতে। খুব জনপ্রিয়তা পেয়েছিল বইটি। কারণ বইয়ের মানুষটি যে ছিলেন সবার চোখের মণি। সারাজীবন নিপীড়িত, বঞ্চিত মানুষের না বলা কথাগুলো বলে যাওয়া এই মানুষটি আজও মিশে আছেন তরুণ সমাজের প্রেরণায়, চেতনায়।

আরও পড়ুন

মাদক না ছাড়লে টাঙ্গাইল ছাড়ার হুশিয়ারি নতুন পুলিশ সুপার গোলাম সবুর

বাংলাদেশের সাহিত্য ইতিহাসের অন্যতম প্রতিবাদী এবং প্রগতিশীল লেখক আহমদ ছফা। ১৯৪৩ সালের ৩০ জুন চট্টগ্রাম জেলার চন্দনাইশ উপজেলার গাছবাড়িয়া গ্রামের এক মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। নিজের পরিবার সম্পর্কে বলেন,

“আমার পরিবার চাষা। আমার পক্ষে এটা ওভারলুক করা কষ্টকর, রঙ চড়িয়ে কিছু বলতে চাই না। আমার পূর্বপুরুষেরা সরাসরি কৃষি উৎপাদনের সাথে যুক্ত ছিল। এই পরিচয় আমার অহংকার”

সাদামাটা এই মানুষটি তাই সহজেই ছুঁয়ে গেছেন সবার হৃদয়। তার পিতার নাম হেদায়েত আলী ওরফে ধন মিয়া, মার নাম আসিয়া খাতুন। দুই ভাই চার বোনের মধ্যে আহমদ ছফা ছিলেন দ্বিতীয়।

বাবার হাতে গড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দক্ষিণ গাছবাড়িয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে লেখাপড়ায় হাতেখড়ি হয় ছফার। ১৯৬০ সালে নিজের গ্রামের নিত্যানন্দ গৌরচন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ম্যাট্রিকুলেশন পাশ করেন তিনি। ১৯৬২ সালে চট্টগ্রাম নাজিরহাট কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা শেষে সে বছরই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে ভর্তি হন তিনি। যদিও সেখানে খুব বেশি দিন ক্লাস করেননি ছফা। খুব সম্ভবত ১৯৬৭ খ্রিস্টাব্দে ব্রাহ্মণবাড়িয়া কলেজ থেকে প্রাইভেটে পরীক্ষা দিয়ে দ্বিতীয় শ্রেণীতে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৭০ খ্রিস্টাব্দে এমএ পরীক্ষা দেয়ার আগেই বাংলা একাডেমির পিএইচডি গবেষণা বৃত্তির জন্য আবেদন করেন এবং তিন বছরের ফেলোশিপ প্রোগ্রামের জন্য মনোনীত হন। গবেষণার বিষয় ছিল ‘১৮০০ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বাংলার মধ্যবিত্ত শ্রেণীর উদ্ভব, বিকাশ এবং বাংলার সাহিত্য-সংস্কৃতি ও রাজনীতিতে তার প্রভাব’।  ১৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে এম.এ ডিগ্রি অর্জন করেন ছফা। পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করা আর সম্ভব হয়নি তার।

সৃষ্টিশীল এই লেখক শুরু থেকেই ছিলেন প্রথাবিরোধী। পড়াশোনা চলাকালীন অবস্থায় সুধাংশু বিমল দত্তের মাধ্যমে কৃষক সমিতি ন্যাপ বা তৎকালীন জনপ্রিয় গোপন কমিউনিস্ট পার্টির সাথে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন। মাস্টারদা সূর্যসেনের বিপ্লবী কর্মকাণ্ড ব্যাপকভাবে অনুপ্রাণিত করে আহমদ ছফাকে। কয়েকজন বন্ধুকে নিয়ে চট্টগ্রাম-দোহাজারী রেললাইন উপড়ে ফেলেন তিনি। পরবর্তীতে তিনি গ্রেপ্তার এড়াতে এবং পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে পার্বত্য চট্টগ্রামে কিছুদিন আত্মগোপন করেন। এরপর ১৯৮৬ সালের দিকে এসে জার্মান ভাষার উপর গ্যেটে ইন্সটিটিউট থেকে ডিপ্লোমা ডিগ্রি লাভ করেন তিনি। গ্যেটের অমর সাহিত্য ‘ফাউস্ট’ অনুবাদের ক্ষেত্রে এটিই ছিল প্রথম সোপান।

ষাটের দশকে সাহিত্য জগতে পা রাখেন আহমদ ছফা। সমসাময়িক উপন্যাস লেখকগণের মধ্যে তিনি ছিলেন একেবারেই আলাদা। ১৯৬৭ সালে প্রকাশিত হয় আহমদ ছফার প্রথম উপন্যাস ‘সূর্য তুমি সাথী’। বক্তব্যের স্পষ্টতা আর তীব্রতার জন্য খুব দ্রুত পাঠকদের মাঝে সাড়া ফেলে দেন তিনি। ১৯৭১ সালের জুলাই মাসে স্বাধীনতার পথে হাঁটতে থাকা বাংলাদেশের প্রথম গ্রন্থ হিসেবে প্রকাশিত হয় ছফার প্রবন্ধ গ্রন্থ ‘জাগ্রত বাংলাদেশ’। পরবর্তীতে বাংলা একাডেমি থেকে সাহিত্যের প্রায় প্রতিটি শাখায় প্রতিভার স্বাক্ষর রাখেন তিনি। গল্প, উপন্যাস, কবিতা, গান, প্রবন্ধ, অনুবাদ, ইতিহাস, ভ্রমণ কাহিনী সব মিলিয়ে ত্রিশটিরও বেশি গ্রন্থের প্রণেতা আহমদ ছফা। তার লেখাগুলোর দিকে তাকালে একটি বিষয় নজরে পড়বে। প্রায় প্রতিটি লেখাই সামাজিক, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক সমসাময়িক পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরে।

বেশ কিছু পত্রিকার সাহিত্য পাতার সম্পাদক ছিলেন আহমদ ছফা। অধুনালুপ্ত ‘দৈনিক গণকন্ঠ’ এর সম্পাদকীয় উপদেষ্টা এবং ‘সাপ্তাহিক উত্তরণ’ এর প্রধান সম্পাদক ছিলেন তিনি। স্পষ্টভাষী ছফা সত্যের প্রচারে সদা সচেষ্ট ছিলেন। তিনি খুব ধার্মিক ছিলেন এমন প্রমাণ পাওয়া না গেলেও ধর্মের প্রতি তার বিশ্বাস ছিল প্রশ্নাতীত। ১৯৭০ সালে আহমেদ শরীফের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠা করেন ‘বাংলাদেশ লেখক শিবির’, তিনি ছিলেন সংগঠনটির প্রথম সভাপতি। তার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল প্রগতিশীল লেখকদের আন্দোলনকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। ব্যক্তিত্বের ছটায় তরুণ প্রজন্মের কাছে খুব সহজেই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলেন আহমদ ছফা। তবে কখনোই সস্তা খ্যাতির মুখাপেক্ষী ছিলেন না তিনি। ধর্মনিরপেক্ষ চিন্তাবিদ হিসেবে আলাদা কদর ছিল তার। কাব্যিক ভঙ্গিমায় স্থানীয় ভাষায় ব্যক্তিগত আবেগ-অনুভূতি ফুটিয়ে তুলতে তিনি ছিলেন সিদ্ধহস্ত। গ্যোতের লেখার পাশাপাশি বার্ট্রান্ড রাসেলের অ্যাগনোস্টিক বা ঈশ্বরে বিশ্বাস-অবিশ্বাসের মাঝামাঝি অবস্থা নিয়ে বেশ কিছু লেখাও অনুবাদ করেন তিনি। তবে প্রাবন্ধিক হিসেবেই আহমদ ছফার পরিচিতি সবচেয়ে বেশি।

বাংলার নামকরা চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন আহমদ ছফা। দুজনেই ছিলেন বোহেমিয়ান বা ভবঘুরে, অবিবাহিত এবং খ্যাতি, ধন-সম্পদ বা অন্যান্য বৈষয়িক মোহ বিবর্জিত। ১০০ বছরেও এমন ব্যক্তিত্ব আর দুটি খুঁজে পাওয়া যাবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন আহমদ ছফা নিজেই।

“আমি মনে করি আমার স্বীকৃতি নিয়ে পশ্চিম বাংলা কী বলতে চায় সেটা আমার লুক আউট নয়। আমি পৃথিবীর গন্ধ এবং স্বাদ বুঝি। তুমি দেখবা আমি যখন আমেরিকায় যাবো তখন ওখানেও ঝড় তুলবো। তখন ওখানকার পন্ডিতদের সাথে দেখবে আমি কিভাবে মিশে গেছি। সুলতানের বিশালত্ব চিন্তা করো, ৭৬-এর আগে এই জায়ান্ট কোথায় ছিলো? কেউ তাকে আবিস্কার করলো না কেন? এই আমি যাকে প্রেজেন্ট করেছি, আরেকজন লোক আসুক তো এমন।”

আহমদ ছফার সময়’ বইটিতে এমনটাই বলেছিলেন তিনি। তার চোখে সুলতানও ছিলেন একজন দার্শনিক। বাংলার মাটির প্রতীক তিনি, বাংলার মাটির যোগ্য সন্তান তিনি। আমাদের চারপাশে ঘিরে থাকা খুঁটিনাটি সমস্যাগুলোই ছিল তার শিল্পের খোরাক। শিল্প-সংস্কৃতির জগতে তাকে সাহায্য করতে কেউ এগিয়ে আসেনি। আহমদ ছফা মনে করতেন এই বাংলায় সুলতানকে আরও বেশি দরকার। জয়নুল আবেদিন, কামরুল হাসানরাও বড় শিল্পী, ভদ্রলোক। তবে খেটে খাওয়া মানুষের কাছে শিল্পের জায়গা করে দিতে হলে সুলতানদের কোনো বিকল্প নেই বলেই তিনি বিশ্বাস করতেন।

সাধারণত ছোট ভলিউমে বই বের করতেন আহমদ ছফা। এই ছোট বইগুলোই চট করে পাঠকদের মনে জায়গা করে নিতো, কেননা তাতে থাকতো গণমানুষের কষ্টের প্রতিফলন, তাদের জীবনের দুর্দশার চালচিত্র। ‘সূর্য তুমি সাথী’ (১৯৬৭), ‘উদ্ধার’ (১৯৭৫), ‘একজন আলী কেনানের উত্থান পতন’ (১৯৮৯), ‘অলাতচক্র’ (১৯৯০), ‘ওঙ্কার’ (১৯৯৩), ‘গাভীবিত্তান্ত’ (১৯৯৪), ‘অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী’ (১৯৯৬), ‘পুষ্পবৃক্ষ ও বিহঙ্গপুরাণ’ (১৯৯৬) আহমদ ছফার উপন্যাস এবং ‘নিহত নক্ষত্র’ (১৯৬৯) তাঁর গল্পগ্রন্থ। কবিতার ক্ষেত্রেও সমুজ্জ্বল আহমদ ছফা। ‘জল্লাদ সময়’, ‘একটি প্রবীণ বটের কাছে প্রার্থনা’, ‘লেনিন ঘুমোবে এবার’ ইত্যাদি একাধিক কাব্যগ্রন্থের প্রণেতা তিনি। অনুভূতির প্রত্যক্ষ প্রকাশ, লোকজ ভাষার ব্যবহার, পুঁথিপুরাণের শব্দ প্রয়োগ ও বাক্যরীতির সঠিক চয়নে তার কবিতাগুলো যেন জীবন্ত হয়ে উঠেছে। আহমদ ছফার অন্যতম জনপ্রিয় একটি বই ‘যদ্যপি আমার গুরু’। ১৯৭০ সালে গবেষণার কাজ করতে গিয়ে জাতীয় অধ্যাপক আবদুর রাজ্জাকের সান্নিধ্যে আসেন তিনি। তাদের মধ্যকার দীর্ঘদিনের সুসম্পর্কের ভিত্তিতে দেশবরেণ্য এই বুদ্ধিজীবীকে নিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ বই লেখেন ছফা। রাজ্জাক ছিলেন চিন্তাবিদ, দার্শনিক, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী। তার দৃষ্টিভঙ্গি থেকে তৎকালীন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু তুলে ধরেন আহমদ ছফা। নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের লেখায় আহমদ ছফার প্রভাব রয়েছে।

ছফার ‘সূর্য তুমি সাথী’ বইটি হাতে পাওয়ার পর পাঠকরা মুগ্ধ হয়ে ভাবে, বহুদিন পর তারা এমন একজন লেখক খুঁজে পেয়েছেন যে তাদের মনের কথাগুলো ছাপার হরফে তুলে ধরতে জানে। ছফা কেবলমাত্র তা-ই লিখতেন যা তিনি নিজে বিশ্বাস করতেন। ভান ধরা বা কোনো কিছু নিয়ে বাড়াবাড়ি করা তিনি একদম পছন্দ করতেন না। আমাদের দেশের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য লিখতেন তিনি, তাদের প্রতিনিধিত্ব করেই লিখতেন তিনি। লেখালেখি ছিল তার নেশা। ছফার গভীর চিন্তাশীলতার প্রতিফলন ঘটেছে তার দুটি উল্লেখযোগ্য রচনা ‘বুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাস’ (১৯৭৩) ও ‘বাঙালি মুসলমানের মন’ (১৯৭৬) গ্রন্থে। এ দুটি বিশেষ চিন্তামূলক রচনাসহ দেশ, সমাজ ও রাজনীতিবিষয়ক নিবন্ধাবলি ছফাকে বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবী লেখকের মর্যাদাপূর্ণ আসন দিয়েছে। এতকিছু সত্ত্বেও আরাম-আয়েশের জীবন তাকে কখনোই টানতে পারেনি। খুব সাধারণ আর চাকচিক্যহীনভাবে দিন কাটাতেন ছফা। দীর্ঘকাল যাবত তিনি একটি মাত্র ঘরে থাকতেন যার মধ্যে আসবাব বলতে ছিল শুধু একটি খাট, চেয়ার, টেবিল আর বইয়ের তাক।

লেখক শিবির পুরস্কার’ এবং বাংলা একাডেমি কর্তৃক প্রণীত ‘সাদত আলী আখন্দ পুরস্কার’ প্রত্যাখ্যান করেন ছফা। ১৯৮০ সালে ‘ইতিহাস পরিষদ পুরস্কার’ এবং ২০০২ সালে ‘মরণোত্তর একুশে পদক’ এ ভূষিত হন আহমদ ছফা। তার বেশ কিছু বই বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে এবং এখনো হচ্ছে। ২০০১ সালের ২৮ জুলাই অসুস্থ অবস্থায় ঢাকা কমিউনিটি হাসপাতালে নেয়ার পথে মৃত্যুবরণ করেন ৫৮ বছর বয়সী ছফা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মসজিদে জানাজা শেষে মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী গোরস্থানে দাফন করা হয় বাংলার কালজয়ী এই সাহিত্যিককে। তার সাহিত্যকর্মের দ্বারা বিশেষত তরুণ প্রজন্মের হৃদয়ে তিনি বেঁচে থাকবেন অনন্তকাল। এই একটি লেখায় তার পুরো জীবনী তুলে ধরা প্রায় অসম্ভব। আহমদ ছফার মতো প্রতিভাবানদের জীবনী নিয়েই লেখা যায় যুগ পাল্টে দেয়ার মতো শক্তিশালী সব সাহিত্য।

সুত্র-সংগ্রহিত

 

শেয়ার করুন

বর্তমান প্রতিবেদনটির সাথে সম্পর্কিত

by নিজস্ব প্রতিবেদক
আগস্ট ১৪, ২০২৫
0

মাদক না ছাড়লে টাঙ্গাইল ছাড়ার হুশিয়ারি নতুন পুলিশ সুপার গোলাম সবুর

মাদক না ছাড়লে টাঙ্গাইল ছাড়ার হুশিয়ারি নতুন পুলিশ সুপার গোলাম সবুর

by নিজস্ব প্রতিবেদক
জুলাই ১০, ২০২৪
0

স্টাফ রিপোর্টার : টাঙ্গাইলের নতুন পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদান করেই গোলাম সবুর পিপিএম (সেবা) মাদকসেবীদের হুশিয়ারি দিয়েছেন। মঙ্গলবার (৯ জুলাই) দুপুরে যোগদান করে পুলিশ সুপার গোলাম সবুর বিকালে...

দেশী-বিদেশী কোন চক্র ষঢ়যন্ত্র করে নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে পারবে না -কৃষি মন্ত্রী

by নিজস্ব প্রতিবেদক
এপ্রিল ২৫, ২০২২
0

মোঃ মশিউর রহমান,টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধিঃ কৃষি মন্ত্রী ডক্টর মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, টাঙ্গাইলে শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে আমরা একটি আধুনিক হাসপাতাল করব যেখানে সকল ধরনের সুযোগ-সুবিধা থাকবে।...

প্রায় শতবর্ষী বীর মুক্তিযোদ্ধার মুমূর্ষ অবস্থায় রক্ত দিলেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের নেতা

by নিজস্ব প্রতিবেদক
অক্টোবর ২৯, ২০২১
0

মো মশিউর রহমান/টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধিঃ রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার বাসিন্দা আব্দুল্লাহিল কাফি (৯১)। বার্ধক্যজনিত ও শারীরিক সমস্যার কারনে চিকিৎসার জন্য তাকে ভর্তি করা হয় টাঙ্গাইল ২৫০...

টাঙ্গাইল সাহিত্য সংসদ কর্তৃক কবি সাহিত্যিকদের সম্মাননা প্রদান

by নিজস্ব প্রতিবেদক
অক্টোবর ৮, ২০২১
0

মোঃ মশিউর রহমান/টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইল সাহিত্য সংসদ কর্তৃক ৬ জন কবি সাহিত্যিকদের সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। টাঙ্গাইল সাধারণ গ্রন্থাগার মিলনায়তনে ৮অক্টোবর শুক্রবার সাহিত্য সংসদের ৩৩৩তম স্বরচিত কবিতা...

Next Post

অপারেশনের ১২ ঘন্টা পরেও জ্ঞান ফিরেনি শাহীনের

সর্বাধিক পাঠিত

  • লড়াই করলেন বাবর, তবুও জিতলো না পেশওয়ার

    লড়াই করলেন বাবর, তবুও জিতলো না পেশওয়ার

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • গোয়ার বিলাসবহুল হোটেলে কনে সাজবেন রাকুল

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • যেভাবে ফেরত পাঠানো হলো মিয়ানমার থেকে আসা ৩৩০ জনকে

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • টাঙ্গাইলে অবৈধ ডিজেল তৈরির কারখানা : বর্জ্যে পরিবেশ হুমকির মূখে

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • হঠাৎ একটা দম্পতির বদলে যাওয়া, দিন দিন তাদের অচেনা হয়ে ওঠা…

    0 shares
    Share 0 Tweet 0


ঠিকানা:
২য় তলা, পুরাতন পৌর মার্কেট, টাঙ্গাইল সদর, টাঙ্গাইল।
যোগাযোগ: ০১৯১৯-৪৪৪৪৬৭; ০১৭৫০-৫৮০৬৯৯
ই-মেইল:
alokitobanglabd@gmail.com

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ শিপন মিয়া

মোবাইল: ০১৭২১-৯২৫২০২

নির্বাহী সম্পাদক

মীর শামছউদ্দিন সায়েম

মোবাইল: ০১৯৮৭-৭৫৮১৯৫

সহ- সম্পাদক

মোঃ রিপন মিয়া

মোবাইল: ০১৭৮২-৩০৩৭৭০

বার্তা সম্পাদক

মোঃ হৃদয় মিয়া

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি

Design & Developed by Tangail Web Solutions

No Result
View All Result
  • হোম
  • সর্বশেষ
  • বিশেষ সংবাদ
  • টাঙ্গাইল জেলা
    • কালিহাতী
    • গোপালপুর
    • ঘাটাইল
    • টাঙ্গাইল সদর
    • দেলদুয়ার
    • ধনবাড়ী
    • নাগরপুর
    • বাসাইল
    • ভূঞাপুর
    • মধুপুর
    • মির্জাপুর
    • সখিপুর
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
  • অপরাধ
  • আইন
  • কৃষি
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • দুর্নীতি
  • দূর্ঘটনা
  • অন্যান্য
    • বাণিজ্য
    • বিনোদন
    • বিশ্ব
    • রাজনীতি
    • স্বাস্থ্য
    • ভিডিও

Design & Developed by Tangail Web Solutions

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
Are you sure want to unlock this post?
Unlock left : 0
Are you sure want to cancel subscription?