স্টাফ রিপোর্টার:- টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে চুরির অপবাদ দিয়ে ফরিদ মিয়া নামে এক দর্জিকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। খবর পেয়ে ফরিদের সহোদর ভাই জিসান ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রতিবাদ করলে তাকেও পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে জামুর্কী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়।
এ ঘটনায় ফরিদ মিয়ার মা ফুলমতি বেগম বাদী হয়ে গত (২৬ জুন) উপজেলার পাঁচগাও নিশ্চিন্তপুর গ্রামের নয়েজ মিয়ার ছেলে মুকুল মিয়া, লাভলু মিয়া ও বাবুল মিয়াকে আসামী করে টাঙ্গাইল আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। গত (২০ জুন) বিকেলে উপজেলার আজগানা ইউনিয়নের সেবার মাঠ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
এদিকে এলাকাবাসী শনিবার (২৭ জুন) বিকেলে আসামীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে এবং বনের জমি দখল করে দোকান ঘর নির্মাণ করার প্রতিবাদে সেবার মাঠ এলাকায় মিছিল ও সমাবেশ করেছেন। এ সময় আমিনুর মাস্টার, অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা আবুল বাশার, মুক্তিযোদ্ধা তমিজ উদ্দিন, ফজলু শিকদার, কদ্দুস শিকদার, কাবেল শিকদার, ছানোয়ার হোসেন, ইউপি সদস্য আব্দুল কাদের শিকদার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য আবুল হোসেন বলেন, মুকুল বদ মেজাজী মানুষ। তার দোকানের অনেক মালামাল মেয়াদ উত্তীর্ণ। এর প্রতিবাদ করায় গত বছর মুুকুল মিয়া তার ভাতিজা সুুজনের মাথা ফাটিয়ে গুরুতর আহত করেন।
মুক্তিযোদ্ধা তমিজ উদ্দিন জানান, মুকুল মিয়া বনের জমি দখল করে দোকান ঘর নির্মাণ করেছেন। ওই দোকানে বসে একে একে কয়েকটি ঘটনা ঘটিয়েছে। বনের জমি থেকে তার অবৈধ দোকান উচ্ছেদের দাবি জানাই।
বন বিভাগের বাঁশতৈল রেঞ্জের হাটুভাঙ্গা বিটের বিট কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম বলেন, বনের জমিতে দোকান ঘর নির্মাণের কোন সুযোগ নেই। খোঁজ নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এ বিষয়ে মির্জাপুর থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শামীম আহমেদ জানান, সরজমিন তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে আদালতে তদন্ত রিপোর্ট পাঠানো হবে।








